বিশুদ্ধ উচ্চারণের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি রাখতে হয়:
১। প্রমিত কথ্য ভাষার বাচনভঙ্গি অনুসরণ করা, অর্থাৎ চলিত ও আঞ্চলিক ভাষার পার্থক্য সম্পর্কে অবহিত হওয়া ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে যথাযথভাবে ব্যবহার করা।
২। স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির যথাযথ উচ্চারণ সম্পর্কে অবহিত হওয়া। অর্থাৎ ঠিক উচ্চারণস্থান থেকেই ধ্বনিগুলো উচ্চারণ করতে হবে।
৩। উচ্চারণ-সূত্র সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা।
৪। আঞ্চলিকতা পরিহার করা।
৫। প্রতিনিয়ত অনুশীলন বা চর্চা করা। যদি বানান বা উচ্চারণ সম্পর্কে সন্দেহ দেখা দেয়, তাহলে অবশ্যই অভিধান দেখতে হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা অভ্যাসে পরিণত করতে হবে।