বাংলাদেশের ষড়ঋতু রচনা (Class 3, 4, 5)

সূচনা :

বাংলাদেশ ছয় ঋতুর দেশ। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত — এই ছয়টি ঋতু পালা করে আসে। অন্য দেশে সাধারণত চার বা দুইটি ঋতু দেখা যায়। কিন্তু আমাদের দেশে ছয়টি ঋতু আসে বলে আমাদের দেশ খুব সুন্দর।

গ্রীষ্মকাল :

বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ — এই দুই মাস নিয়ে গ্রীষ্মকাল। এই সময় খুব গরম পড়ে। রোদে মাঠঘাট শুকিয়ে যায়। কালবৈশাখী ঝড় হয়। এই সময় আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, তরমুজ পাওয়া যায়।

বর্ষাকাল :

আষাঢ় ও শ্রাবণ — এই দুই মাস বর্ষাকাল। এই সময় প্রচুর বৃষ্টি হয়। নদী, খাল, বিল, পুকুর পানিতে ভরে যায়। শাপলা, কদম, কেয়া ফুল ফোটে।

শরৎকাল :

ভাদ্র ও আশ্বিন — এই দুই মাস শরৎকাল। আকাশে সাদা মেঘ ভাসে। মাঠে কাশফুল ফোটে। শিউলি ফুলের গন্ধে চারদিক ভরে যায়।

হেমন্তকাল :

কার্তিক ও অগ্রহায়ণ — এই দুই মাস হেমন্তকাল। কৃষকরা নতুন ধান ঘরে তোলে। সকালে ঘাসের উপর শিশির পড়ে। নতুন চালের পিঠা খাওয়া হয়।

শীতকাল :

পৌষ ও মাঘ — এই দুই মাস শীতকাল। উত্তর দিক থেকে ঠান্ডা বাতাস আসে। গাছের পাতা ঝরে পড়ে। এই সময় বাঁধাকপি, ফুলকপি, গাজর, আলু পাওয়া যায়।

বসন্তকাল :

ফাল্গুন ও চৈত্র — এই দুই মাস বসন্তকাল। বসন্তকে ঋতুর রাজা বলা হয়। গাছে নতুন পাতা ও ফুল আসে। কোকিল পাখি ডাকতে থাকে। আবহাওয়া খুব আরামদায়ক হয়।

উপসংহার :

এভাবে ছয়টি ঋতু পালা করে আসে। প্রতিটি ঋতুর আলাদা সৌন্দর্য আছে। এই ছয় ঋতু মিলেই বাংলাদেশকে এত সুন্দর করে তুলেছে।


Author

প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে

মাহমুদুল হাসান

শিক্ষাগত যোগ্যতা
গণিতে অনার্স ও মাস্টার্স

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

ফাজিল সম্পন্ন

গোপালপুর দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা

বিশেষ দক্ষতা

বাংলা সাহিত্য • গণিত • ইসলামিক শিক্ষা

অভিজ্ঞতা

শিক্ষকতা ও ৫+ বছর কন্টেন্ট রাইটিং

আমাদের লক্ষ্য

শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা। ২০২৩ সাল থেকে সকল শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিক্ষাগার থেকে উপকৃত হচ্ছে।

Leave a Comment