বাবা নিয়ে রচনা / আমার বাবা রচনা | Class 3, 4, 5

ভূমিকা:

বাবা আমার সবচেয়ে কাছের একজন মানুষ। তিনি আমাকে খুব ভালোবাসেন ও স্নেহ করেন। বাবা আমাকে সব সময় প্রয়োজনীয় উপদেশ দিয়ে থাকেন। আমার পড়ালেখায় তিনি খুব উৎসাহ দেন। ভালোবাসার পাশাপাশি তিনি প্রয়োজনমতো শাসনও করেন।

একটি স্মৃতি:

একবার আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। বাবা সারারাত আমার পাশে বসেছিলেন। তিনি নিজে হাতে আমাকে ওষুধ খাইয়েছিলেন। বাবার সেই ভালোবাসা আমি কখনো ভুলব না।

পেশা:

আমার বাবা একজন স্কুলশিক্ষক। তিনি সকাল নয়টায় কাজে যান, বিকেল পাঁচটায় বাড়ি ফেরেন। বাবা তাঁর কাজের প্রতি খুব যত্নশীল ও আন্তরিক। ছাত্রছাত্রীদের কেউ পড়া না বুঝলে তিনি ধৈর্য নিয়ে বারবার বুঝিয়ে দেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি বাবা কৃষিকাজও করেন। জমিতে নানা রকম সবজি ফলান। আমাদের একটা পুকুরে সারাবছর মাছ চাষ করেন।

বাবার অবদান:

বাবার উপার্জন সীমিত হলেও তিনি সেই অর্থ দিয়েই আমাদের সবার মুখে হাসি ফোটাতে চেষ্টা করেন। আমরাও এতে সন্তুষ্ট থাকি। বাবা বাড়িতে আমাকে ছড়ার ছলে সহজ করে অঙ্ক শেখান। তাই বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় আমি অঙ্কে ভালো নম্বর পাই।

ছুটির দিনে বাবা মাকে ঘরের কাজে সাহায্য করেন, বাজার করতে যান। প্রতিদিন সন্ধ্যায় আমাদের পড়ান। অবসর সময়ে আমাদের সাথে মজার গল্প করেন। বিভিন্ন উৎসবে বাবার সাথে হাটে-মেলায় ঘুরতে যাই। বাবা আমাদের শিখিয়েছেন বড়দের সম্মান করতে আর ছোটদের স্নেহ করতে।

আমার কর্তব্য:

আমি এখনো ছোট, তাই বড় দায়িত্ব নেওয়ার বয়স আমার হয়নি। তবু কিছু কর্তব্য আমি অনুভব করি। মন দিয়ে পড়াশোনা করা আমার প্রধান কাজ। বাবা যা বলেন তা মেনে চলা আমার দায়িত্ব। বাবাকে ছোট কাজে সাহায্য করাও আমার কর্তব্য। বাবা চান আমি সৎ পথে থাকি, সত্য কথা বলি, মানুষের মতো মানুষ হয়ে গড়ে উঠি। তাঁর এই আশা পূরণ করাই আমার কর্তব্য।

উপসংহার:

পৃথিবীর প্রত্যেক সন্তানের কাছে বাবা মাথার ওপর ছাতার মতো, যিনি নিরাপত্তার ছায়া হয়ে থাকেন। আমার কাছে আমার বাবাই শ্রেষ্ঠ বাবা। তিনি আমার অভিভাবক, শিক্ষক এবং বন্ধু। আমি আমার বাবাকে অনেক ভালোবাসি।


Author

প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে

মাহমুদুল হাসান

শিক্ষাগত যোগ্যতা
গণিতে অনার্স ও মাস্টার্স

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

ফাজিল সম্পন্ন

গোপালপুর দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা

বিশেষ দক্ষতা

বাংলা সাহিত্য • গণিত • ইসলামিক শিক্ষা

অভিজ্ঞতা

শিক্ষকতা ও ৫+ বছর কন্টেন্ট রাইটিং

আমাদের লক্ষ্য

শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা। ২০২৩ সাল থেকে সকল শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিক্ষাগার থেকে উপকৃত হচ্ছে।

Leave a Comment